পোস্টগুলি

Narrative লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

"উর্দুর সাথে আমার সম্পর্ক"

ছবি
  میرے اس جسم میں اِک روح ہے جو گناہوں کی آگ میں جل کر راکھ ہو گئی دل تھا کبھی آئینہ، چمکتا تھا نور میں اب تو بس دھول میں لپٹ کر خاک ہو گئی Mere is jism mein ik rooh hai Jo gunahoon ki aag mein jal kar raakh ho gayi Dil tha kabhi aaina, chamakta tha noor mein Ab to bas dhool mein lipat kar khaak ho gayi –21 Ramadan, 1446। • উর্দু এই ভূখণ্ডেরই একটা ভাষা, আমার পূর্বপুরুষদের ভাষা, আমার প্রিয় ভাষাগুলোর মাঝে অন্যতম। মাতৃভাষার সাথে তুলনা টেনে নিজের চিন্তার অপরিপক্কতার প্রমাণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বাংলার সাথে উর্দুর দ্বন্দ্ব কখনোই ছিল না, ৫২ তেও না। ৫২ ছিল বাংলা ভাষার অধিকার আদায়ের আন্দোলন। কিন্তু কিছু শ্রেণি আছে, যারা উর্দুকে বিরোধী ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। উর্দু নিয়ে তাদের আপত্তি আছে যাদের– বাংলা ভাষার কেবলা পশ্চিমবঙ্গ, সংস্কৃত যাদের কাছে বাংলার বাপ।  আর তারাই বাংলায় প্রচলিত বহু উর্দু শব্দকে ‘বিদেশি শব্দ’ বলে অপাংতেয় করেছে। অথচ ভাষা কখনোই সংকীর্ণ নয়; এটি বহমান নদীর মতো, যা বহু উৎস থেকে উপাদান সংগ্রহ করে নিজেকে সমৃদ্ধ করে।    আমার নানা ৮৫ বছর বয়সী একজন বিজ্ঞ ব্যক্তি,...

"তাওহীদ– আমার বেঁচে থাকার কারণ"

ছবি
তাওহীদ অর্থ একত্ববাদ। আরও স্পষ্ট ভাবে বলতে গেলে– "সকল নকল খোদা (তথাকথিত সুপার পাওয়ার) কে পায়ের নিচে রেখে, অবনত মস্তকে আল্লাহর এক ও অদ্বিতীয় সত্তার ঘোষণা দেওয়াই তাওহীদ।" • এই তাওহীদই মুসলিমদের বেচে থাকার রসদ। তাওহীদ ছাড়া কোনো মুসলিমের পরিবার, ব্যবসা, সমাজ ও রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না।  আমি আমার পরিবারের জন্য কামাই করব কেন? – কারণ এটা তাওহীদের শিক্ষা। আল্লাহ আমায় তার আদেশ দিয়েছেন তাই।  আমি ব্যবসায় ইনসাফ বজায় রাখব কেন? ভেজাল থেকে মুক্ত থাকার আকাঙ্ক্ষা রাখব কেন? – কারণ এটা তাওহীদের শিক্ষা। আল্লাহ আমায় তার আদেশ দিয়েছেন তাই।  আমি আমার রাষ্ট্রের ভূখণ্ড রক্ষা করব কেন? – কারণ এটা তাওহীদের শিক্ষা। আল্লাহ আমায় তার আদেশ দিয়েছেন তাই।  • তাওহীদ ছাড়া এই ভূখণ্ডের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাওহীদ না থাকলে ৪৭ এ ভারতের পেটের ভিতরে থেকেও পূর্ব পাকিস্তান হতো না। আর তা না হলে বাংলাদেশও হতো না।  তাওহীদ না থাকলে ২৪ এ এসে ভারতের অঘোষিত  অঙ্গরাজ্য বাংলাদেশকে আবার স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে আবিষ্কার করা যেত না।  সেনাবাহিনী প্রতিটা অপারেশনের আগে সম্মিলিতভাবে একটা দু'আ করে নেন। ...

"বাংলাদেশ, ডিপ স্টেট ও ইসলামপন্থীদের ভবিষ্যৎ করণীয়"

ছবি
ডিপ স্টেটের চক্রান্ত ও  মুসলিম  আইডেন্টিটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ডিপ স্টেটের খেলার বলি হচ্ছে বাংলাদেশিরা। ভারত চাচ্ছে দ্রুত নির্বাচন হোক, বিএনপি এর মাঠপর্যায়ের কাজ আঞ্জাম দিচ্ছে। আর আব্বো আমেরিকা চাচ্ছে সংস্কারের নামে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা,  ধর্মীয় ইনক্লুসিভিটির দোহাই দিয়ে মুসলিমদের মনে খিলাফতের যে স্বপ্ন আছে, তা যেন ধীরে ধীরে নিউট্রাল হয়ে যায়।  ৫ই আগষ্টের পড়ে ইসলামপন্থীরা যেভাবে গলা খুলে কথা বলেছে এবং সামাজিকভাবে যে স্বীকৃতি পেয়েছে, তা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে বাম-সেক্যুদের বয়ানের স্রোতে। আবারও ইসলামপন্থীদের ভিলেন বানানো হবে, কিন্তু এবার সময় নিয়ে খেলবে। ইসলামপন্থীদের মূল চ্যালেঞ্জ ও শত্রুদের কৌশল ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম বাঙালিরা এক অপরাজেয় শক্তি। এদের ইতিহাসের মহানায়ক হাজী শরিয়তউল্লাহ, দুদু মিয়া, তিতুমীর। বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি মুসলিম আত্মপরিচয়ের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যদি এ দেশের মানুষকে  মুসলিম হিসেবে আইডেন্টিটি ক্রাইসিস এ ফেলে দেওয়া যায় বা তাদের মূল ভুলিয়ে দেওয়া যায়, তখনই বিদেশি শক্তিরা বিজয়ী হবে। তথাকথিত সুশীল ইন্টেলেকচুয়ালরা এখনও বুঝতে পারছে না যে বাংলা...

সিন: আওয়ামী জাহেলিয়াতের পরবর্তী বাংলাদেশ

দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক এ কি পতিত খুনির দল আওয়ামী লীগের কর্মীরা চায়? তারা কি দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য কোনো প্রকার সাহায্য করছে? এত বড় বড় গণহত্যার দায় নিয়ে ক্ষমা চেয়ে চুপ থাকছে? নাকি এখনও তারা খুনি হাসিনা দেশে এসে ক্ষমতা উদ্ধার করবে এ আশায় বসে আছে?  এখনও পতিত মুজিববাদি ধর্মের অনুসারীরা দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে আদা জল খেয়ে মাঠে আছে। এখনও তারা এক ফোটাও লজ্জিত না। এখনও তারা অনুতপ্ত না। তাদের দূরসম্পর্কের আত্মীয়দের খুন যে তাদের ধর্মের ব্যনারেই হইছে এ তারা এখনও মেনে নিচ্ছে না।  আবার আছে বৃহৎ আরেকটি রাজনৈতিক দলের কন্ট্রোল হারানো কর্মীদের বিশৃঙ্খলা। প্রশাসনে লুকিয়ে থাকা মুজিববাদি ধর্মের অনুসারীদের গেঞ্জাম। সব মিলিয়ে আছে আমার দেশ। তবে একথা বলতেই হয়, আগের চেয়ে ভালো ও স্বাধীন আছে দেশের মানুষ। আগে তো চোখ বন্ধ কইরা থাকা লাগছে তাই মানুষের চোখে পড়ে নাই। এখন মানুষ চোখ খুইলা দেখা শিখছে, মুখ খুইলা বলা শিখছে, হাত তুইলা প্রতিবাদ করা শিখছে। দেশ একদিন হাসবে। এই আশায় আছি অবশ্যই। তবে এই হাসির মাধ্যম যে একমাত্র "ইসলামি শারিয়াহ" এই জিনিসটা জনগণ যত দ্রুত বুঝবে, ততই মানবজাতির মঙ্গল।...

কবিতাঃ "আবার আসছে শাহবাগ"

 আবার আসিবে শাহবাগ, সেই ৭১ এর কিছু অজানা ইতিহাস নিয়ে। গত ১৫ টি ডিসেম্বর, কিংবা তারও বেশি বছর অতীত থেকে যে ইতিহাস আমরা শুনেছি– আমাদের শুনিয়েছ তুমি যে রক্ত হিম করা ইতিহাস? তা আবার ফিরে আসবে। আবার আসছে শাহবাগ, আমাদের ইসলামের যে জলন্ত প্রদীপ! তাতে গাঁজার দুর্গন্ধযুক্ত ফু দিয়ে নিভাতে আসছে সে। আসছে সে মুছে দিতে মুসলিম ইতিহাস, মুসলিমদের মূলকে।  আবার এসেছে শাহবাগ, সুশীল সমাজের ৭১ বন্দনা আর যুদ্ধাপরাধীর বিচারের নাম করে– যে হত্যাকাণ্ডের এক ইতিহাস রেখে গেলে তুমি আপা?  তা আবার ফিরে আসছে।  আমি আমার সন্তানের কোলে মাথা রেখে কিভাবে বলব– যে আমি ঠেকাতে পারিনি সে খুনিদের মুখের বোল? যে আমি পরিচ্ছন্ন করতে পারিনি সে ইতিহাস? আমি কায়েম করতে পারিনি সে মদিনার ইনসাফ? হায় হায়, এখনও সময় আছে– লজ্জা থাকলে রুখে দাঁড়াও। সেই নতুন শাহবাগের বিরুদ্ধে তুমি রুখে দাঁড়াও। তবেই তোমার বংশ বাঁচবে, বাঁচবে তোমার দেশ, বাঁচবে তোমার দীন– মুক্ত হবে তোমার ঘরের ফিলিস্তিন। ২৮ রজব, ১৪৪৬ হিজরী।